1. অর্থ ও বাণিজ্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলাম
  4. খবরের দিগন্ত
  5. খেলাধুলা
  6. তথ্য প্রযুক্তি
  7. বাংলাদেশ
  8. বিনোদন
  9. মতামত
  10. রাজনীতি
  11. সর্বশেষ
আজকের সর্বশেষ খবর

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ২৪ ঘণ্টায় যানজটমুক্ত হবে দেশ: অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ

Link Copied!

কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে আগামী ২৭/২৮ দুই বছরের জন্য জেলা আমির নির্বাচনে গোপন ব্যালটে ভোট দিয়েছেন সংগঠনটির প্রায় আট শতাধিক পুরুষ ও নারী রুকন। তবে ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। কেন্দ্র থেকে পরবর্তী সময়ে ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নেহাল গ্রিন পার্কের মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক মো. রমজান আলী। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলামের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।

 

বিশেষ অতিথি কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা অধ্যক্ষ মো. তৈয়বুজ্জামান ও অধ্যাপক আব্দুস সালাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আজিজুল হক, ঢাকা মহানগরী উত্তরের শূরা সদস্য অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ওয়ারী থানার আমির মাহবুবুর রহমান মাহফুজ এবং জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাহিদ বিল্লাহ। এ ছাড়া বিভিন্ন উপজেলা ও সাংগঠনিক থানা শাখার দায়িত্বশীল ও রুকনরা সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যের পর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী দলীয় নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালকদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এরপর তিনি সভাপতির আসন ছেড়ে রুকনদের সারিতে বসেন।

পরে আগামী ২৭/২৮ দুই বছরের জন্য জেলা আমির নির্বাচনে গোপন ব্যালটে ভোট দেন প্রায় আট শতাধিক পুরুষ ও নারী রুকন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কাজী সাইফুল্লাহ। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শামসুল আলম সেলিম ও মাওলানা এস এম ইউসূফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশকে যানজটমুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে মাদক, জুয়া, চুরি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ঘুষমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বিএনপির উদ্দেশে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ ধারণ করে না এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রায় সবার বাড়িতে গিয়েছেন এবং তাঁদের পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছেন। অন্য রাজনৈতিক দলের নেতারা কতজন শহীদ পরিবারের বাড়িতে গিয়েছেন, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

একটি অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডা. শফিকুর রহমান শুধু জামায়াতে ইসলামীর আমির নন, তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতাও। আমন্ত্রণপত্রে তাঁর সংসদীয় পরিচয় যথাযথভাবে উল্লেখ না করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, আল্লাহ জামায়াতে ইসলামীকে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য সময় দিয়েছেন। ভবিষ্যতে দলটি কোরআনের আলোকে দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে মাদক, জুয়া, চুরি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ঘুষ ও যানজটমুক্ত দেশ গড়ার চেষ্টা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্মেলনে বক্তারা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা, নৈতিকতা ও আদর্শভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।